কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১২:৩০ AM
কন্টেন্ট: পাতা
উপজেলার নাম | সংক্ষিপ্ত পরিচিতি | ওয়েবসাইটের লিংক |
ফরিদপুর সদর | ত্রয়োদশ শতাব্দির প্রথম দিকে বিখ্যাত সূফি সাধক হযরত শেখ শাহ ফরিদ এখানে অবস্থান করেন। তাঁর নামানুসারে ১৮৯৪ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর ফরিদপুর কোতয়ালী থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। অতপর ১৯৮৪ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের জন্য ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নামে নামকরন করা হয়। | |
মধুখালী | ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলা ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়। মধুখালী উপজেলার উত্তরে বালিয়াকান্দি উপজেলা, দক্ষিণাংশে মাগুরা সদর ও বোয়ালমারি উপজেলা, পশ্চিমে বালিয়াকান্দি ও শ্রীপুর উপজেলা, পূর্বে ফরিদপুর সদর উপজেলা। পূর্বে গোয়ালন্দ মহকুমার অধীনে ছিল। পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলার একটি উপজেলা হিসাবে এর যাত্রা শুরু হয়। এ উপজেলার নামকরণ নিয়ে ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। এক সময় এখানে প্রচুর মধু পাওয়া যেত এজন্য এ উপজেলার নাম মধুখালী হয়েছে বলে জানা যায় । | |
বোয়ালমারী | প্রাচীন জনপদ ভূষণা থানা ১৮১২ সালে সৈয়দপুরে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৮১৪ সালে বোয়ালমারী পূর্নাঙ্গ থানা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। সেই সময় ১৯ টি ইউনিয়ন নিয়ে বোয়ালমারী থানা গঠিত হলেও পরবর্তীতে বানা ও পাচুড়িয়া ইউনিয়ন আলফাডাঙ্গা থানায় অন্তর্ভূক্ত হয় এবং ১৯৮৩ সালে বোয়ালমারী থেকে ৬টি ইউনিয়ন এবং বালিয়াকান্দি থানা থেকে ৩ টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে মধুখালী থানা গঠিত হয়। বর্তমানে বোয়ালমারী উপজেলা ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ইউনিয়নগুলো হলো ঘোষপুর, সাতৈর, চাঁদপুর , দাদপুর , বোয়ালমারী, চতুল, পরমেশ্বরদী, শেখর , রূপাপাত , ময়নাও গুনবহা। | |
আলফাডাঙ্গা | বাংলাদেশের ১৩তম জেলা যশোরের অন্তর্গত ছিল বর্তমান (২০১১) আলফাডাঙ্গা উপজেলা। কবে কখন আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়েছিল তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। তবে কেউ কেউ বলেন মধুমতি নদীর কূলে "আলফা" নামক এক ধরনের লতানো ফুল ডাঙ্গায় ফুটতো এবং সেই ফুলের নামানুসারে আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়েছে। আবার অনেকে মনে করেন অল্পডাঙ্গা বা আলিফাডাঙ্গা থেকে আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়। ১৯৬০ সালে আলফাডাঙ্গা থানাকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পূর্বে এটি ছিল যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার আওতাধীন। ভৌগোলিক দিক থেকে আলফাডাঙ্গা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এটি ইতিহাসের অনেক সাক্ষীবহন করে আছে। | |
সালথা | নগর সভ্যতার উষালগ্নে সালথা (নগরকান্দা) এলাকাটি ছিল একটি জলাভূমি অঞ্চল। কালের পথ-পরিক্রমায় এক সময় এলাকা বসবাস যোগ্য হয়ে উঠে। তখন থেকে নগরকান্দা (সালথা) প্রশাসনিক আওতায় চলে আসে। ১৯৮৪ সালে নগরকান্দা উপজেলায় রুপান্তরিত হয়। কালের আবর্তে এবং সময়ের প্রেক্ষিতে নগরকান্দা উপজেলার (০৮) টি ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৬ খ্রিঃ তারিখে উপ-২/সি-১২/২০০৫/৩৪ নং প্রজ্ঞাপন মূলে সালথা উপজেলা গঠিত হয়। নবসৃষ্ট এ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯ নভেম্বর, ২০০৮ খ্রিঃ। | |
নগরকান্দা | ব্র্রিটিশ শাসন আমলে সর্ব প্রথম প্রশাসনিক থানার ছোয়া লাগে বর্তমান নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত আইনপুর গ্রামে। স্থানীয় জনসাধারনের অসচেতনতা ও ক্রমাগত নদী ভাংগনের প্রেক্ষিতে উক্ত থানা সদর দপ্তর স্থানান্তর অনিবার্য্য হয়ে পড়ে। তৎকালীন চৌদ্দ রশি জমিদারগণ তাদের প্রশাসনিক সুবিধার্থে তাদেরই খাজনা আদায়ের কাচারীর পার্শ্বে বর্তমান নগরকান্দা থানা সদর কার্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। ঐ সময়ে পদ্মার তীব্র ভাংগনে ফরিদপুর শহর প্রায় গ্রাস করতে থাকলে সে সমেয় ব্রিটিশ শাসন কর্তৃপক্ষ জেলা সদর স্থানান্তরের জন্য নগরের এক প্রান্তে নতুন নগর/উপ-নগর প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে এবং নগরকান্দাকে বাছাই করে। যদিও তা পরবর্তীতে বাস্তবায়ন হয়নি। নগরের প্রান্ত বা কান্দা হিসেবে ’নগরকান্দা’ নামের উৎপত্তি বলে ধারণা করা হয়।
| |
ভাঙ্গা | ভাংগা কুমার নদীর পাড়ে অবস্থিত। ভাঙ্গা ফরিদপুর সদর থেকে ৩০ কিঃ মিঃ পূর্বে কাওরাকান্দি থেকে ২০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ পশ্চিমে। ভৌগোলিক বিবেচনায় ভাঙ্গার পশ্চিমে ফরিদপুর জেলায় নগরকান্দা উপজেলা, পূর্বে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলা, উত্তরে ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলা এবং দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা।২১৪, ফরিদপুর-৪। আয়তন ২১৭.৫৩ বর্গ কিমি। ইউনিয়ন ১২ টি, মৌজা ১৩৬ টি, গ্রাম ২২৭ টি। | |
সদরপুর | সদরপুরের কিছু এলাকা ফরিদপুর স্টেশন(গোপালপুর, কৃষ্ণপুর প্রভৃতি এলাকা), কিছু এলাকা থানা নগরকান্দা (নয়াগ্রাম,যাত্রাবাড়ী, ঠেঙ্গামারী প্রভৃতি),কিছু এলাকা ভাঙ্গা থানা(সাড়ে সাতরশি, চরব্রাহ্মন্দী, দশহাজার,শ্যামপুর, সদরপুর প্রভৃতি) এর অধীন ছিল। পরবর্তীকালে এই এলাকাগুলো একত্রিত করে সদরপুর সার্কেলের যাত্রা শুরু হয়। ৭ নভেম্বর ১৯৮২ সালে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক লে: জে: হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ কর্তৃক সদরপুরকে আপগ্রেড থানা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রথম থানা নির্বাহী অফিসার ছিলেন জনাব মো: আ: ছালাম। ১৯৮৪ সালে সদরপুরকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
| |
চরভদ্রাসন | ১৯৮৩ সালে চরভদ্রাসন উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। সকল বিভাগ সেটআপ হয়। ১ম উপজেলা চেয়রম্যান জনাব মো: আবুল হোসেন এবং ইউএনও জনাব মো: নরুল হুদা। বর্তমানে চরভদ্রাসন উপজেলায় সকল বিভাগের কাযক্রম চলছে। ৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলাটি গঠিত। যথা-চরহরিরামপুর,চরঝাউকান্দা,চরভদ্রাসন,গাজিরটেক ইউনিয়ন। |
উপজেলা ভিত্তিক ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা
উপজেলার নাম | ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা |
ফরিদপুর সদর | ১২ টি |
মধুখালী | ১১ টি |
বোয়ালমারী | ১০ টি |
আলফাডাঙ্গা | ০৬ টি |
সালথা | ০৮ টি |
নগরকান্দা | ০৯ টি |
ভাঙ্গা | ১২ টি |
সদরপুর | ০৯ টি |
চরভদ্রাসন | ০৪ টি |